প্রবাসীর কন্ঠ
সংবাদ শিরোনাম
♦ আগস্টে ঢাকা উড়ালপথের কাজ শুরু : ব্যয় ৮ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা      ♦ নেতিবাচক ও উসকানিমূলক সম্প্রচার, দিগন্তের দুঃখপ্রকাশ, সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতি     ♦ বৃহস্পতিবার রংপুর জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল     ♦ পার্থকে নিয়ে বিপাকে শেখ পরিবার     ♦ ইমা’র প্রতারণার কৌশল- টাকা ছাড়া ফাঁকা চেক      ♦ নভেম্বরে ফিরছেন তারেক রহমান      ♦ কমনওয়েলথ মহিলা মন্ত্রীদের চেয়ারম্যান হলেন চুমকি     ♦ মধ্যরাত থেকে সুইডেনে বাস ধর্মঘট    
তামিমের আড়াই কোটি টাকার বিয়ে,অর্ধকোটি টাকায় আসছেন বিদেশি শিল্পী-কুশলী!

undefined

হাইপ্রোফাইল বিয়ে। তাই আয়োজনও হাইপ্রোফাইল। কারণ বিয়েটা তারকা ক্রিকেটার তামিম ইকবাল খানের। আর এই আয়োজনের বাজেট প্রায় আড়াই কোটি টাকা। তামিম ইকবালের মতো জনপ্রিয় তারকার বিয়েতে এমন বাজেট হতেই পারে। এই ব্যয় আরও বেশি হলে কেউ আপত্তি করবেন এমন লোক মেলা কঠিন। তবে এই আনন্দের মধ্যেও কিছু প্রশ্ন উঁকি-ঝুঁকি মারছে। সেটা খুব বেশি অমূলক নয়। প্রশ্নগুচ্ছ বিদেশি তারকাদের ঘিরে। এই তারকারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব নন। বাইরে থেকে কোনো ক্রিকেটার আসছেন বলেও এ মুহূর্তে কোনো খবর নেই। খবরটা হচ্ছে, বিয়ের আয়োজনকে জমকালো করতে ভারত আর মালয়েশিয়া থেকে আনা হচ্ছে সংগীতশিল্পীসহ বেশকিছু কলাকুশলীকে। এতে ব্যয় হবে প্রায় অর্ধকোটি টাকা। ভক্তরা বলতে পারেন, এটা কোনো ব্যয় হল? বাজেট আরও বাড়লেও সেটা তামিমের উচ্চতার সঙ্গে বেমানান হবে না। প্রশ্নটা সেখানে নয়, বলছি দেশের শিল্পী আর কলাকুশলীদের অভাব হল কি না?

সবাই জানি, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের জার্সিতে প্রাধান্য লাল-সবুজের। জাতীয় পতাকার এই রং ধারণ করে বহুবার এ দেশের মানুষকে আনন্দে ভাসিয়েছে টিম বাংলাদেশ। বিশ্বের এমন অনেক দেশ আছে, যারা কেবল বাংলাদেশকে চেনে ক্রিকেট দলের সাফল্যের কারণে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক তারকা বনে যাওয়া শাকিব-তামিম-মুশফিকদের কারণে। হাইপ্রোফাইল এই তিনজনের মধ্যে শাকিব পাঁচতারকা হোটেলে বিয়ে করলেও সেখানে প্রবেশাধিকার ছিল সংরক্ষিত। শাকিব আল হাসানের মতো অমন তারকার ওই বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে ভক্তদের আক্ষেপের শেষ নেই।

তবে শাকিবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু তামিম ইকবাল তেমনটি করছেন না। তার রাজসিক ব্যাটিংয়ের মতোই আয়োজন করা হচ্ছে বিয়ের। ২২ জুন তামিম তার জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন। আর এই ইনিংসে তার সঙ্গী, দীর্ঘদিনের বন্ধু আয়েশা। চট্টগ্রামে তামিমের পারিবারিক ঐতিহ্য কম-বেশি সবাই জানেন। তাই এই বিয়েতে চট্টলাবাসী আনন্দে মাতোয়ারা হবেন এটিই স্বাভাবিক। তার বিয়ের সবগুলো অনুষ্ঠানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে। বিশেষ একটি সূত্রে জানা গেছে, এই বিয়ের বাজেট প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩০-৩৫ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে ভারতীয় কণ্ঠশিল্পীদের পেছনে, যা শুনে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যে কেউ হোঁচট খাবেন।

সর্বশেষ এশিয়া কাপে পরপর চার ম্যাচে তামিম ইকবাল যেদিন চারটি হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, নজর কাড়া সেই ম্যাচ যারা দেখেছেন তারা হয়তো ভুলে যাননি-এক-দুই করে চারটি আঙুল তুলে গোটা বিশ্বকে নিজের অস্তিত্ব নতুন করে জানান দেন তামিম। তার সেই বীরত্বগাথায় কোটি ক্রিকেট ভক্তের চোখে আনন্দাশ্রু দেখা গেছে। বলার মতো তামিমের এমন লড়াকু ইনিংস আরও অনেক রয়েছে। কিন্তু নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানে দেশীয় সংস্কৃতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিদেশি শিল্পীর প্রতি তার অনুরাগ অনেকেই মেতে নিতে পারছেন না। তামিমের বিয়েতে তাই ভারতীয় শিল্পী আর বিদেশি কুশলীদের আনাগোনা হাইপ্রোফাইল এ বিয়েকে কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ করতেই পারে। বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রায় ২৬ লাখ টাকা বাজেটে ভারত থেকে সান, সুনিধি চৌহান, সনু নিগামের মতো কণ্ঠশিল্পীদের আনা হচ্ছে ড্যান্স ট্রুপ ও যন্ত্রীসহ। ২১ জুন সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের টেনিস কমপ্লেক্সে তামিমের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে তিন হাজার আমন্ত্রিত অতিথির সামনে পারফর্ম করবেন তারা। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর অনেক সাংস্কৃতিকবোদ্ধা বলেছেন-এ দেশে রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীন, সুবীর নন্দি, কুমার বিশ্বজিত্, আসিফ আকবর কিংবা হাবিব ওয়াহিদ, ন্যান্সিরা তামিম ইকবালের বিয়ের আয়োজনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে জমকালো করার জন্য যথেষ্ট ছিলেন। এসব শিল্পী সারারাত গান করলেও তাদের জনপ্রিয় গানগুলো শেষ হবে না। বিষয়টি একেবারেই তামিম ইকবালের ব্যক্তিগত বিষয়। তবু তিনি যেহেতু সেলিব্রেটি, তার কিছুই ব্যক্তি পর্যায়ে থাকে না। অনেক ঘটনা দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনপ্রিয় এক কণ্ঠশিল্পী জানান, ‘তামিম ইকবাল চাইলে দেশের শিল্পীরা সারারাত তার আয়োজনে গান করে দিয়ে আসবেন। কারণ সে আমাদের দেশের গর্ব। তার সুখের দিনের সঙ্গী হতে পারলে আমরাই বেশি খুশি হতাম।’

গত আইপিএলে তামিম ইকবালকে ভারতীয় কোনো দল নিলামে কেনেনি। পরে পুনে ওয়ারিয়র্সের মালিক সুব্রত সাহারা তামিমকে দলে ভেড়ান। কিন্তু একটি খেলায়ও তাকে মাঠে নামানো হয়নি। দেশের মানুষ ওই ঘটনায় যারপর নেই হতাশ হয়েছিল। সুব্রত সাহারা ঢাকায় এলে এ নিয়ে তাকে মিডিয়া ছেড়ে কথা বলেনি। ক্ষুব্ধ তামিম আইপিএল শেষ হওয়ার আগেই ভারত থেকে চলে যান মালয়েশিয়া। সেই তামিমের বিয়ের আয়োজনে ভারতীয় শিল্পী আসছে! এটি মেনে নিতে পারছেন না তামিমভক্তরা। শুধু শিল্পী নন, বর-কনের বিয়ের পোশাকটিও নাকি ভারতীয় এক ডিজাইনারের তৈরি। এছাড়া মূল মার্কেটিং করা হয়েছে দুবাই থেকে। আর মালয়েশিয়া থেকে আনা হচ্ছে পেশাদার ফটোগ্রাফার। বিবি রাসেল আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা বাংলাদেশি ফ্যাশন ডিজাইনার। তামিম ইকবাল যদি একবার তার শরণাপন্ন হতেন তাহলে নিশ্চয়ই বিবি রাসেল তাকে হতাশ করতেন না। পোশাক আর ডিজাইনে বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক মানের। আমাদের ডিজাইনারদের পোশাক পরে আন্তর্জাতিক মডেলরা বিশ্ব পরিমণ্ডলের অনেক নামিদামি লাল কার্পেটে হাঁটছেন এখন। তামিমের কানে এ বিষয়টি তোলার মতো কি কেউ নেই? ফটোগ্রাফার হিসেবে এ দেশে নাসির আলী মামুন, ইকবাল আহমেদ, চঞ্চল মাহমুদের অনেক সাফল্যের গল্প শুনেছি। বাদ দিলাম তাদের কথা, তামিমের সাফল্য ফ্রেমবন্দি করে বছরের পর বছর পত্রিকার পাতা ভরে সুনাম কুড়িয়েছেন যেসব ক্রীড়া ফটোগ্রাফার তাদের একজনের নামও কি তামিমের মনে পড়েনি? তাছাড়া ওয়েডিং ফেস্টিভ্যালের ছবি তোলার জন্য বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুনাম কুড়িয়েছে। তাদের বাদ দিয়ে মালয়েশিয়া কেন? তারা কি এদেশের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিকে আমাদের চেয়েও বেশি জানেন? বিষয়গুলো নিয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তামিম ইকবালের চাচা আকরাম খান দেশের ক্রিকেটের কিংবদন্তি। ভাই নাফীস ইকবাল এক সময়ের জনপ্রিয় ক্রিকেটার। শোনা যাচ্ছে মা-চাচা-ভাই মিলে তামিমবধূকে ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার দিচ্ছেন। তামিম-আয়েশা দুই পরিবারই বনেদি এবং বিত্তশালী। তাদের বিয়েটা কি দেশীয় আয়োজনে বেলি ফুলের মালায় হলে সম্মান কমে যেত? নিশ্চয়ই নয়, বরং উদাহরণ হয়ে থাকত। সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার হাইপ্রোফাইল মেহমানকে দাওয়াত করা হয়েছে। থাকছে মেজবানের আয়োজন। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতাকেও দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। তামিম ইকবালের মতো দেশরত্নের বিয়েতে তাদের উপস্থিতি সাধারণ মানুষ আশা করতেই পারে। তারা যদি তামিমকে আশীর্বাদ করতে যান তাহলে সেটা শুধু তামিমভক্ত নয়, তামিমের জন্যও হবে অনেক বড় উপহার। যদিও গোটা বিষয়টিই তামিমের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। এমন আনন্দঘন সময়ে তামিমের যা ভালো লাগে তা করতেই পারেন। সেই বিবেচনায় তার নতুন জীবনের শুভক্ষণে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভ কামনা রইল।

আবারও শীর্ষে সাকিব

undefined ওয়ানডের র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা অলরাউন্ডারের স্থানটা বারবার হাতবদল হচ্ছে মোহাম্মদ হাফিজ আর সাকিব আল হাসানের মধ্যে। গত মে মাসে সাকিবকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠেছিলেন হাফিজ। তবে খুব বেশি দিন দুই নম্বর হয়ে থাকতে হচ্ছে না সাকিবকে। এক মাসের ব্যবধানেই আবার ফিরে পেয়েছেন শীর্ষ স্থানটা। আইসিসির নতুন র‌্যাঙ্কিংয়ে সাকিবের ঝুলিতে জমা হয়েছে ১৮৭ পয়েন্ট। পাঁচ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে আছেন হাফিজ। এ বছরের শুরু থেকে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ অলরাউন্ডারের স্থানটা পরিবর্তিত হয়েছে চারবার। গত জানুয়ারিতে সাকিবকে সরিয়ে শীর্ষে এসেছিলেন হাফিজ। মার্চ মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে পাকিস্তানি এই অলরাউন্ডারের ব্যর্থতায় আবারও সাকিব ফিরে পান শীর্ষ স্থানটা। মে মাসে জিম্বাবুয়ে সফরে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারলেই শ্রেষ্ঠত্বটা ধরে রাখতে পারতেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। কিন্তু সেখানে ব্যর্থ হওয়ায় আবারও সেরা অলরাউন্ডারের আসনে বসে যান হাফিজ। এ বছর দ্বিতীয় দফায় সাকিবের শীর্ষে ফেরার পেছনেও প্রধান ভূমিকা হাফিজের ব্যর্থতার। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সফল না হতে পারায় শীর্ষ স্থান হারাতে হয়েছে তাঁকে। সাকিব ফিরে পেয়েছেন ওয়ানডের সেরা অলরাউন্ডারের মর্যাদাটা। টেস্টে অবশ্য এখনো দ্বিতীয় স্থানেই আছেন সাকিব। শীর্ষ স্থানটা ধরে রেখেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস।

এবার শিল্পা শেঠির পাশে দাঁড়ালেন সমিতা

undefined আইপিএল কেলেঙ্কারিতে এবার জড়িয়ে গেছে শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজকুন্দ্রার নাম।আইপিএলের শুরু থেকে রাজস্থান রয়্যালস দলের মালিক হিসেবে সব সময় শিল্পা ও রাজকুন্দ্রা মাঠে থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিয়েছেন। তবে ম্যাচ ফিক্সিংসহ বিভিন্ন দায়ে ইতোমধ্যে রাজকুন্দ্র ও শিল্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে আইপিএলের তদন্ত কমিটি। তবে এখনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি তাদের বিরুদ্ধে।এদিকে বড় বোনের এমন দুঃসময়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সমিতা শেঠি। আইপিএল কেলেঙ্কারিতে শিল্পার নাম উঠে আসার পর থেকেই সমিতা তার সঙ্গে ছায়ার মতো থাকছেন। বিভিন্ন বক্তব্যও প্রদান করেছেন তিনি শিল্পার পক্ষে। তার মতে শিল্পা ও রাজের নামে একেবারেই বানোয়াট একটি অভিযোগ দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। ম্যাচ ফিক্সিংসহ অন্যান্য অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন। এর কোনো প্রমাণও নেই।সমিতা মনে করেন শুধু সুনাম নষ্ট করার জন্য এরকমটা করা হচ্ছে। সমিতা সম্প্র্রতি এ বিষয়ে একটি চ্যানেলকে খোলামেলা বক্তব্য প্রদান করেছেন। আমি শুরু থেকে দেখে আসছি এ দলটির প্রতি শিল্পার আবেগ উৎসাহ উদ্দীপনা। সবচেয়ে বড় কথা হলো তাদের তারকা খ্যাতি নষ্ট করার জন্যই এরকম অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি এর তীব্র প্রতিবাদ যানান।

চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরান

undefined ইরানের জাতীয় ফুটবল দল ২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এ নিয়ে চতুর্থবারে মতো দেশটি বিশ্বকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত আসরে খেলার সৌভাগ্য অর্জন করলো। মঙ্গলবার সিউলের উলসান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের খেলায় ইরান ১-০ গোলে স্বাগতিক দক্ষিণ কোরিয়াকে পরাজিত করে সরাসরি ব্রাজিলে যাওয়ার টিকেট অর্জন করে। খেলার ৬০ মিনিটের মাথায় একমাত্র গোলটি করেন ইরানের ফরোয়ার্ড রেজা কুচাননেজাদ। আজকের খেলার হিসাব-নিকাশ ছিল ইরানের জন্য অনেক জটিল। ইরান যদি এ খেলায় হেরে যেত কিংবা ড্র করতো তাহলে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলা তাদের জন্য কঠিন হয়ে যেত। কিন্তু ১-০ গোলে তাদের জয়লাভ সে সব হিসাব-নিকাশকে পেছনে ফেলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে বিশ্বকাপ ফুটবলের মূল পর্বে পৌঁছে যায়। আজকের এ জয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদ আহমাদিনেজাদ, নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার ড. আলী লারিজানি জাতীয় ফুটবল দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরানের খেলার ইতিহাস ইরান বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ১৯৭৮ সালে। ওই বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলায় ইরান নেদারল্যান্ড ও পেরুর কাছে হেরে যায় এবং স্কটল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে। এরপর ইরান দ্বিতীয়বারে মতো বিশ্বকাপ খেলতে যায় ১৯৯৮ সালে। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে ইরান আমেরিকাকে ২-১ গোলে হারালেও ইউগোস্লাভিয়ার কাছে ০-১ গোলে এবং শক্তিশালী জার্মানির কাছে ০-২ গোলে হেরে যায়। ইরান তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ২০০৬ সালে। জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে ইরান মেক্সিকোর কাছে ১-৩ এবং পর্তুগালের কাছে ০-২ গোলে পরাজিত হয়। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে সে বিশ্বকাপ থেকেও বিদায় নেয় ইরান। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে মঙ্গলবার দিনের দ্বিতীয় খেলায় উজবেকিস্তান কাতারকে ৫-১ গোলে হারায়। ফলে ‘এ’ গ্রুপে দক্ষিণ কোরিয়া ও উজবেকিস্তান ১৪ পয়েন্ট নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান দখল করে। কিন্তু গোলের ব্যবধানে দক্ষিণ কোরিয়া সরাসরি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এখন উজবেকিস্তানকে ‘বি’ গ্রুপের তৃতীয় দলের বিরুদ্ধে খেলতে হবে। এশিয়া অঞ্চলের ‘বি’ গ্রুপের খেলায় জাপান ও অস্ট্রেলিয়া প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে সরাসরি বিশ্বকাপে চলে গেছে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণের জন্য মঙ্গলবার রাতেই ওমান ও জর্দানের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ওই খেলার বিজয়ী দল উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে হোম এন্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে দু'টি ম্যাচ খেলবে। সেখানে জয়ী দলকে ল্যাটিন আমেরিকার পঞ্চম দলের বিরুদ্ধে প্লে-অফ ম্যাচে অংশ নিতে হবে।

আলোচিত সংবাদ